"শুচিবাই" নিরাময়ে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা
 

"শুচিবাই" চিকিৎসার পরিভাষায় ‘অবসেসিভ কম্পালশিভ ডিসঅর্ডার’ বা সংক্ষেপে ‘ওসিডি’ বলা হয়। এই রোগ নিরাময়ে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের ব্যবহারিক প্রয়োগ নিয়ে আজকের আলোচনা।
OCD রোগীর লক্ষণ:
একটি obsessive thought থাকে যা বার বার রোগীর মনে আসতে থাকে, রোগী বুঝতে পারে এটা অযৌক্তিক, সরাতে চেষ্টা করে বা বাধা প্রদান করে, ব্যর্থ হয় হতাশ হয় অস্থির হয়। দুইটি part আছে OCDতে একটা Obsession, অপরটি compulsion। compulsion হল obsessive thought দূর করার ব্যর্থ প্রচেষ্টা। content -এ কি কি থাকে
* Dirt & contamination
* Aggression
* Sex
* Religion
* Orderliness
* Illness.
Dirt & contamination
OCDতে রোগী পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও জীবাণু নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করতে থাকে এবং বারবার হাত ধৌত করেন, বার বার গোসল করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় ব্যয় করেন। প্রচুর সাবান ও পানি নষ্ট করে এজন্য তার স্বাভাবিক জীবনযাপন অসম্ভব হয়ে পড়ে। পারিবারিক জীবন ব্যাহত হয়। অতিরিক্ত ধোয়া মোছার জন্য চর্মরোগেও আক্রান্ত হতে পারে। রোগী কাউকে তার গ্লাসে পানি খেতে দেন না। কেউ তার ঘরে ঢুকে পড়লে, বিছানায় বসলে বার বার এগুলো পরিষ্কার করতে থাকে। কিন্তু তারপর ও তার doubt বা সন্দেহ যায় না। তার মানে বিশ্বাস থেকেই যায়, এখনও ময়লা ঠিকভাবে যায়নি।
★ Aggression
রোগীর মাথায় চিন্তা আসতে থাকে কাউকে আঘাত করার, কাউকে Stab করে দেয়ার। রোগী বুঝতে পারে তার এ চিন্তা অস্বাভাবিক এবং অযৌক্তিক। কিন্তু তারপরও এ চিন্তা মাথা থেকে সরাতে পারেন না, ব্যর্থ হন। যেমন- রোগীর সামনে একটি ছুরি আছে, রোগীর মাথায় বার বার এ চিন্তা আসতে থাকে, এ ছুরি দিয়ে বাচ্চাকে Stab করার, পরবর্তী সময় ভয়ে সে ছুরির সামনে যেতেই চান না। যদি সে Stab করে দেয়। একবার ভেবে দেখুন, কি ভয়াবহ ব্যাপারে রোগী আত্মদংশনে ভুগতে থাকেন, উদ্বেগ উৎকণ্ঠায় ফেটে পড়েন। তার জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠে।
★ Sex
OCD রোগীদের মাথায় Sex নিয়ে অশ্লীল আজে-বাজে চিন্তা আসে যা তার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে Match তো করে না বরং উল্টো। যেমন- এক রোগীর মাথায় তার মা-মেয়ের যৌনাঙ্গ নিয়ে অশ্লীল চিন্তা আসতে থাকে। অশ্লীল ছবি ও আসতে থাকে। যে এটাকে অযৌক্তিক মনে করে সরানোর জন্য প্রাণ-পণ বাধা দেন। পারে না সরাতে এরপর হতাশ ও ব্যর্থ হয়। আত্মগ্লানি ও আত্মদংশনে মুষড়ে পড়ে। OCD রোগীর এ কারণে ১/৩ অংশ বিষণ্ণতায় ভোগেন, আত্মহত্যার চেষ্টা ও বিরল নয়।
★Religion
ধর্মের বিরুদ্ধে, আল্লাহর বিরুদ্ধে অশ্লীল চিন্তা আসতে থাকে। যা তার সনাতন বিশ্বাসের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। সে জানে তার এ চিন্তা অযৌক্তিক, সরাতে চায়, পারে না। আত্মদহনে মরে যেতে চায়। সে ভাবে আমি নাস্তিক হয়ে গেছি। আমি নিশ্চিতভাবে নরকে যাব। কেবল ইসলাম নয়, অন্য ধর্মাবলম্বীদের ও এটা সমস্যা হয়। এর থেকে নাস্তিকের তফাৎ হল নাস্তিক আত্মদহনে ভোগে না কোনো অনুশোচনা সে করে না। কিন্তু OCD রোগীদের এ ভয়াবহ অবস্থা চিকিৎসা ব্যতীত ভয়াল থেকে ভয়ালতর রূপ ধারণ করে।
★Orderliness
OCD রোগী তাদের জিনিসপত্র তার স্টাইলে গুছিয়ে রাখে। এলোমেলো করলে তার মাথায় আগুন ধরে যায়, প্রচণ্ড অস্বস্তি লাগে। যতক্ষণ না তা পূর্বের অবস্থায় আনা না হয়। এরা এক বিশেষভাবে হাঁটে। এ থেকে ব্যতিক্রম হলে আবার প্রথম থেকে শুরু করেন। এটাকে বলে Sequence. Sequence নষ্ট হলেই এরা অস্থির হয়ে পড়েন, আবার নতুন করে শুরু করেন। টাকা Count করতে থাকে ১টা বিশেষ পদ্ধতিতে একটু হেরফের হলেই অস্বস্তিতে ভোগে, অস্থির হয়ে উঠে। একে বলে Counting Ritual সেসব বুঝলে ও এই বলয় থেকে বের হতে পারেন না।
★রোগের কারণ : সুনির্দিষ্ট কারণ না পাওয়া গেলেও সম্ভাব্য কারণ হিসেবে যে সমস্ত তথ্য ভাবা হচ্ছে তা হলো— জন্মের সময় ব্রেনে আঘাত, হেড ইনজুরি, এনকেফেলাইটিস এবং মৃগী রোগীদের ওসিডি বেশি হয়। অনেক সময় বংশগত কারণও থাকে।
সাইকোডায়নামিক থিওরি অনুযায়ী অবচেতন মনে উদ্বেগ কমানোর জন্য কতগুলো প্রক্রিয়ার সাহায্য নেয় যাদের বলে ডিফেন্স মেকানিজম। নিউরোটিক ও সাইকোটিক রোগের লক্ষণ হিসেবে এই ডিফেন্স মেকানিজম প্রকাশ পায়। এই রোগীর ক্ষেত্রে কিছু ডিফেন্স মেকানিজম কাজ করে।
হোমিও সমাধান : হোমিওপ্যাথি চিকিৎসাবিজ্ঞানী ডা. হানেমান মানুষের মনস্তত্ত্বের ওপর জোর দিয়েছেন বেশি। কারণ মন খারাপ হলেই শরীরে প্রভাব পড়ে বেশি। মনস্তত্ত্বকে বাদ দিয়ে হোমিওপ্যাথিতে মানসিক রোগীকে সর্বাঙ্গীন সুস্থ করে তোলা কঠিন। শুচিবাই চিকিৎসা হোমিওপ্যাথিতে বিশেষ ফলদায়ক চিকিৎসা আছে। যা অন্য প্যাথিতে নেই।
হোমিও চিকিৎসা : রোগ নয় রোগীকে চিকিৎসা করা হয়, এ জন্য একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসক রোগীর রোগের সঠিক লক্ষণ নির্বাচন করে প্রাথমিকভাবে যেই সব ওষুধ নির্বাচন করে থাকে— নাক্সভম, সিফিলিনাম, একোনাইট, হিপারসাল্ফ, আর্সেনিক, এন্টিম ক্রুড, অরামমেট, ক্যামোমিলা, চায়না, ইগ্নেসিয়া, এগনাস ক্যাস্টস, ল্যাকোসিস, এসিড ফস, পালসেটিলা, সিপিয়া, সালফার, থুজা, মেডোরিনাম, মার্কসল, স্ট্রামোনিয়াম, ক্যালকেরিয়া ফস, সোরিনামসহ আরো অনেক মেডিসিন লক্ষণের আসতে পারে। তাই ওষুধ নিজে নিজে ব্যবহার না করে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
=====================================
হােমিওপ্যাথিক মেডিসিন কনসালটেন্ট
ডাঃ এম. শামসুল হক মেহেদী
বি. এইচ, এম, এস (ঢা:বি:)
ক্যান্সার চিকিৎসায় প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত (ICPC)
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
এক্স- হাউজ ফিজিশিয়ান
সরকারি হােমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা
গভঃ রেজিঃ নং- এইচ- ৯৯৬, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালি, ঢাকা
চর্ম, যৌন, বন্ধাত্ব, মহিলা ও শিশু রােগে অভিজ্ঞ।
💁‍♀️মহিলা রােগীদের জন্য সুখবর!!!
আমার হোমিওপ্যাথি পেইজের মাধ্যমে টেলিমেডিসিন সেবা দিচ্ছেন..
মহিলা ও শিশু রােগে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত চিকিৎসক..
ডাঃ বুশরা মাহমুদ
বি.এইচ.এম.এস (ঢাঃবিঃ)
বি.এইচ.এস (আপার)
সরকারী হােমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল,
ঢাকা।
গভঃ রেজিঃ নং- এইচ- ১০২৬, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালি, ঢাকা
বিঃদ্রঃ স্বল্পমূল্যে, স্বল্প খরচে উন্নত মানের স্বাস্থ্যসেবাই
আমাদের একমাত্র লক্ষ্য..
যোগাযোগ :📞 01975909166
 হস্তমৈথুনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
 
 
 
 
 
হস্তমৈথুন এর ক্ষতিকর দিক সমূহ। হস্ত মৈথুনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাচার উপায়। হস্তমৈথুন এর ক্ষতিকর দিক অনেক। বর্তমান সমাজে মারাত্মক ব্যাধি হয়ে দাড়িয়েছে।হস্তমৈথুন ইংরেজিতে যাকে Masturbation (মাস্টারবেশন) বলা হয়।যখন কোন ছেলে মেয়ে প্রাপ্ত বয়সে উপনিত হয় তখন তারা নিজেদের অজান্তেই এই ভয়ংকর কাজে জড়িয়ে পরে।
হস্তমৈথুন এর ক্ষতিকর দিক সমূহ এবং এর থেকে বাঁচার সহজ উপায়। Masturbation
হস্তমৈথুন এর ক্ষতিকর দিক ও হস্তমৈথুন থেকে বাঁচার উপায়
বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট সহজতর হওয়ায় অনলাইনে নানা অনৈতিকমূলক বিভিন্ন ভিডিও ক্লিপ, ছবি ইত্যাদি এর মাধ্যমে অনেকেই এই কাজে উদ্ভুদ্ধ হয়।কেউ বা তার বন্ধু বান্ধব এর মাধ্যমে কেউ বা নিজের অজান্তেই এই কাজে জড়িয়ে নিজের জীবনকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
বর্তমান সময়ে শুধু ছেলে নয় মেয়েরা ও এইরকম ভয়াবহ কাজে জরিত। প্রাপ্ত বয়সে উপনিত হওয়ার পর প্রায় ৬০% ছেলে ও ৪০% মেয়ে নিজের অজান্তেই এই কাজে জড়িয়ে পরে।
তাই আজকের আর্টিক্যালে হস্তমৈথুনের ফলে ক্ষতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো।হস্তমৈথুন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে সম্পূর্ণ আর্টিক্যালটি মনযোগ সহকারে পড়ার অনুরোধ করছি।
হস্তমৈথুনের কারণে নানান ধরনের সমস্যা দেখা দেয়।এমনকি অকাল বির্যপাত হওয়ার কারণে ছেলেরা বিয়ে করতে ভয় পায়। তাদের যৌন জীবন কে বিপর্যস্ত করে তুলে।
হস্তমৈথুনের কারণে ২ ধরনের সমস্যা দেখা দেয় তা হলঃ
১. মানসিক সমস্যা
২. শারীরিক সমস্যা
মানসিক সমস্যাঃ
হস্তমৈথুনের কারণে ছেলেরা মানসিকভাবে ভেঙে পরে। অকাল বির্যপাত হওয়ার কারণে বিয়ে করতে ভয় পায়। সবসময় দুশ্চিন্তা তাদের কে গ্রাস করতে থাকে।অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে ব্রেইনে এতটাই চাপ পরে যে তাদের আচরণে অশৃঙ্খল দেখা যায়। ফলে তাদের জীবন হয়ে উঠে দূর্বিসহ ও ভয়াবহ।
আরো পড়ুনঃ পাইলস কি? পাইলস এর লক্ষণ ও ঘরোয়া চিকিৎসা
শারীরিক সমস্যাঃ
হস্তমৈথুনের ফলে সবথেকে বেশি ক্ষতি হয় শারীরিক ভাবে।হস্তমৈথুনের ক্ষতিকর প্রভাবগুলো আমাদের বাস্তব জীবনে সব থেকে বেশি প্রতিফলন হয়।অতিরিক্ত মাত্রায় হস্তমৈথুন করার ফলে শরীর অল্প দিনের মধ্যে খারাপ বা অসুস্থ হয়।স্বাস্থ্য চেহারা সব কিছুই নষ্ট হয়ে যায়। তাই হস্তমৈথুনের ক্ষতিকর দিক গুলো জানা খুবই প্রয়োজন। 
 
নিচে হস্তমৈথুনের ফলে শারিরীক যে সমস্যা দেখা দেয় তা দেওয়া হলঃ
১. অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে সব থেকে বড় যে সমস্যা হয় তা হল অকাল বীর্যপাত। অকাল বির্যপাত এর ফলে স্বামী তার স্ত্রীকে পুরোপুরি সন্তুষ্ট করতে অক্ষম হয়ে পরে। ফলে বিবাহিত জীবনে নেমে আসে অশান্তি।
২. অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে বির্যের শুক্রানু কমে যায় এবং বির্য পাতলা হয়ে যায়। বিজ্ঞানের ভাষায়, কোনো পুরুষের বির্যে যদি ২০ কোটির কম শুক্রাণু থাকে তাহলে সেই পুরুষ সন্তান জন্ম দিতে অক্ষম হয়ে পরে।
৩. শরীরের বিভিন্ন সিস্টেম যেমন, Nervous system, heart, digestive system, urinary system এবং আরো বিভিন্ন রকম system অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয় । পুরুষের যৌনাঙ্গ একেবারেই দূর্বল হয়ে পরে এবং সমস্ত শরীর একেবারেই দুর্বল হয়ে যায় শরীরে বিভিন্ন রোগ দেখা দেয়।
৪. চোখের সমস্যা দেখা দেয়।দূরের জিনিস ঝাপসা দেখে।
৫. অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে কানে ও সমস্যা হয়। কানে কম শুনতে পায়।
৬. অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে নাকের ঘ্রাণ শক্তি হ্রাস পায়।
৭. হস্তমৈথুন ফলে স্মরণ শক্তি আস্তে আস্তে কমে যায়। কোন কিছুই মনে থাকে না ।
৮. মাথা ব্যথা, চোখে ব্যাথা আরো বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়।
৯. সামান্য উত্তেজনায় লিঙ্গ থেকে তরল জাতীয় পদার্থ বের হয়। ফলে শরীর দূর্বল হয়ে যায়।
১০. অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে যৌন ক্রিয়ার সাথে জড়িত স্নায়ুতন্ত্রগুলো একেবারেই দুর্বল হয়।
১১. প্রস্রাব এর সমস্যা হয় এবং শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে সমস্যা দেখা দেয়।
১২. স্বাস্থ্য নষ্ট হয়ে যায় এবং দেখতে অনেক রুগ্ন দেখায়।
 
★হস্তমৈথুনের ক্ষতিকর প্রভাব:
হস্তমৈথুনের ক্ষতিকর দিক অনেক। প্রত্যেক পুরুষ এবং মহিলাদের বয়স বাড়ার সাথে সাথে যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি পেতে থাকে ড় তখনি নানান ভাবে এই হস্তমৈথুন নামক ভয়ংকর ব্যাধিতে জড়িয়ে পরে। যাদের একবার এটা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায় বলা যায় তার জীবন যৌবন সব ধ্বংস করে দেয়। কেননা এটা ত্যাগ করা খুবই কষ্ট সাধ্য ব্যাপার।
তাই যারা হস্তমৈথুন করেন তারা এই অভ্যাস ত্যাগ করতে পারলে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার মাধ্যমে যে ক্ষতি করে ফেলেছেন তার সমাধান করা সম্ভব।
👉👉👉 ভালাে লাগলে পেইজে লাইক দিবেন , কমেন্ট করে মতামত জানাবেন ও শেয়ার করে আাপনার বন্ধুদের জানার সুযোগ করে দিন ।
👉 পরবর্তী আপডেট পেতে পেইজে লাইক দিয়ে একটিভ থাকুন সবার আগে পেয়ে যাবেন পরবর্তী পোষ্ট।
👉ডাক্তারের পরামর্শ ব্যতীত কোনো ঔষুধ সেবন করবেন না।
👉হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসাপদ্ধতি লক্ষণ সংগ্রহের মাধ্যমে সঠিক ঔষধ নির্ণয় করে স্বদৃশ বিধানমতে চিকিৎসা করা উত্তম পন্থা।
👉 হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিন সুস্থথাকুন।
হস্তমৈথুন নিয়ে আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এই পোস্টে লিংক..https://www.facebook.com/100069533605572/posts/372321305095653/?app=fbl
=====================================
হােমিওপ্যাথিক মেডিসিন কনসালটেন্ট
ডাঃ এম. শামসুল হক মেহেদী
বি. এইচ, এম, এস (ঢা:বি:)
ক্যান্সার চিকিৎসায় প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত (ICPC)
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
এক্স- হাউজ ফিজিশিয়ান
সরকারি হােমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা
গভঃ রেজিঃ নং- এইচ- ৯৯৬, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালি, ঢাকা
চর্ম, যৌন, বন্ধাত্ব, মহিলা ও শিশু রােগে অভিজ্ঞ।
💁‍♀️মহিলা রােগীদের জন্য সুখবর!!!
আমার হোমিওপ্যাথি পেইজের মাধ্যমে টেলিমেডিসিন সেবা দিচ্ছেন..
মহিলা ও শিশু রােগে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত চিকিৎসক..
ডাঃ বুশরা মাহমুদ
বি.এইচ.এম.এস (ঢাঃবিঃ)
বি.এইচ.এস (আপার)
সরকারী হােমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল,
ঢাকা।
গভঃ রেজিঃ নং- এইচ- ১০২৬, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালি, ঢাকা
 
বিঃদ্রঃ স্বল্পমূল্যে, স্বল্প খরচে উন্নত মানের স্বাস্থ্যসেবাই
আমাদের একমাত্র লক্ষ্
 
যোগাযোগ :📞 01975909166
 
ডাঃ মেহেদী হোমিওপ্যাথ

 

 


চোখওঠা বা কনজাংটিভাইটিস

 

এই রোগী বর্তমান সময়ের প্রচুর দেখা যাচ্ছে, যাহা একটি ভাইরাস জনিত রোগ,
কোনো কোনো সময় বা মৌসুমে একসঙ্গে অনেক মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হন। কারণ, এটি সংক্রামক রোগ।
#লক্ষন_সমূহ: এই রোগীদের-
* বেশির ভাগ সময় দুই চোখ লাল হতে দেখা যায়। তবে এক চোখেও হতে পারে।
*চোখে পুঁজের মতো জমা হয়, ঘুম থেকে উঠলে অনেক সময় চোখের পাতা লেগে থাকতে দেখা যায় এবং চোখ থেকে পানি ঝরে।
*চোখ জ্বালাপোড়া করে।
*চোখে খচখচ ভাব, অস্বস্তি হয়।
*হালকা ব্যথা ও ফটোফোবিয়া বা রোদে তাকাতে অসুবিধা হতে পারে।
* চোখে গরম অনুভব হওয়া।
* চোখে ব্যথা অনুভব করা।
* চোখের পাতা ফুলে যাওয়া।
*চোখে জ্বালা ও চুলকানি ইত্যাদি।
● সাবানপানি দিয়ে কিছুক্ষণ পরপরই হাত পরিষ্কার করতে হবে।
● কোনো কারণে চোখ ভেজা থাকলে চোখ টিস্যু পেপার দিয়ে মুছে নিতে হবে। ব্যবহারের পর টিস্যু পেপারটি অবশ্যই ময়লার ঝুড়িতে ফেলে দিতে হবে। নইলে ব্যবহার করা টিস্যু পেপার থেকে সংক্রমণ ছড়াতে পারে।
● চোখ উঠলে চশমার ব্যবহার করুন। এতে চোখে স্পর্শ করা কমবে এবং ধুলাবালু, ধোঁয়া থেকে চোখ রক্ষা পাবে। আলোয় অস্বস্তিও কমবে।
● নিজের ব্যবহার করা প্রসাধনসামগ্রী ও ব্যক্তিগত কাপড়চোপড় অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দেওয়া যাবে না। একইভাবে অন্যের ব্যবহৃত প্রসাধনসামগ্রী ও ব্যক্তিগত জিনিসপত্র রোগীর ব্যবহার করা চলবে না।
● চোখ ঘষে চুলকানো যাবে না। অন্য কারও আই ড্রপ ব্যবহার করা উচিত হবে না। এতে আবার কনজাংটিভাইটিস হতে পারে।
#হোমিওপ্যাথিক_চিকিৎসা: লক্ষণ ভিত্তিক সম্পন্ন ও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হীন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় চোখ ওঠার রোগী খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়।
বর্তমান সময়ে যেসব ওষুধ বেশি ব্যবহার হয়, Aconite, Belladonna, Rhus tox, Euphrasia....
যেকোনো রোগে আতঙ্কিত না হয়ে আপনিও আপনার পরিবার সম্পূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিন।
হোমিওপ্যাথি ঔষধ যদি কম পরিমানে গ্রহণ করা হয় তাহলে তার কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হয় না, কিন্তু কখনও নিজে থেকে কোন ঔষধ গ্রহণ করা উচিৎ নয়। আপনি যদি চোখের সমস্যায় নিয়ে ভোগেন, তাহলে দ্রুত রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন যে আপনার রোগ লক্ষণ অনুযায়ী আপনার সঠিক চিকিৎসা করবে। হোমিওপ্যাথিতে রোগ নয় রোগীকে চিকিৎসা করা হয়। আপনাকে অভিজ্ঞ একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নিতে হবে, হোমিওপ্যাথিতে চোখের সমস্যা প্রায় শতভাগই কার্যকর । হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় আধুনিক ও অভিজ্ঞ রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের মাধ্যমে কোন ধরনের অস্ত্রোপচার ছাড়াই সুস্থতা লাভ করা সম্ভব।
★বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় স্বীকৃত বিজ্ঞানসম্মত প্রাকৃতিক ও নিরাপদ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা গভ. রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথি ডাক্তারের নিকট হতে গ্রহণ করুন এবং সুস্থ থাকুন।
=====================================
হােমিওপ্যাথিক মেডিসিন কনসালটেন্ট
ডাঃ এম. শামসুল হক মেহেদী
বি. এইচ, এম, এস (ঢা:বি:)
ক্যান্সার চিকিৎসায় প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত (ICPC)
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
এক্স- হাউজ ফিজিশিয়ান
সরকারি হােমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা
গভঃ রেজিঃ নং- এইচ- ৯৯৬, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালি, ঢাকা
চর্ম, যৌন, বন্ধাত্ব, মহিলা ও শিশু রােগে অভিজ্ঞ।
💁‍♀️মহিলা রােগীদের জন্য সুখবর!!!
আমার হোমিওপ্যাথি পেইজের মাধ্যমে টেলিমেডিসিন সেবা দিচ্ছেন..
মহিলা ও শিশু রােগে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত চিকিৎসক..
ডাঃ বুশরা মাহমুদ
বি.এইচ.এম.এস (ঢাঃবিঃ)
বি.এইচ.এস (আপার)
সরকারী হােমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল,
ঢাকা।
গভঃ রেজিঃ নং- এইচ- ১০২৬, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালি, ঢাকা
বিঃদ্রঃ স্বল্পমূল্যে, স্বল্প খরচে উন্নত মানের স্বাস্থ্যসেবাই
আমাদের একমাত্র লক্ষ্য..
যোগাযোগ :০১৯৭৫৯০৯১৬৬

 



নখকুনির হােমিওপ্যাথিক চিকিৎসা


অনেক সময় পায়ের বা আঙুলের নখ ত্বকের ভেতর দিকে দেবে যায় বা নখের নিচের মাংসে ঢুকে যায়। একে নখকুনি বা ইনগ্রোয়িং অব নেইল বলা হয়। এই সমস্যায় ব্যথা তো হয়ই, কখনো সংক্রমণ হয় এবং পুঁজ বের হতে থাকে।
 
★উপসর্গঃএক বরাবর ব্যথা এবং স্পর্শকাতরতা, বা নখের দু-পাশে লালচে
ভাব। নখের চারপাশে ফোলা ভাব, যন্ত্রণা ও সংক্রমণ। পায়ের নখ প্রায় টিস্যু সংক্রমণ।
★জটিলতাঃচিকিৎসায় ধরা না পড়লেও অন্তবর্ধিত পায়ের নখ অন্তর্নিহিত
হাড় সংক্রমিত করবে এবং ভবিষ্যতে হাড়ের বড় ধরণের
সমস্যার সৃষ্টি করবে ও হাড় সংক্রমিত হবে।
★কেন হয় নখকুনি বা ইনগ্রোয়িং
নখ ও এর নিচের ত্বক কেরাটিন নামের প্রোটিন দিয়ে তৈরি। প্রতিনিয়ত কেরাটিনের ঘন স্তর তৈরি হতে থাকে এবং নতুন নখের কলা তৈরি হয়। নিচের কেরাটিন স্তরের সঙ্গে এই নতুন নখের অসামঞ্জস্য দেখা দিলে নখ দেবে যেতে পারে। সাধারণত কোনো কারণে আঘাত (যেমন জুতার ঘর্ষণ), ছত্রাক সংক্রমণ, নেইল বাইটিং বা নখ কামড়ানোর অভ্যাস, ভুল পদ্ধতিতে নখ কাটা (নখের কোনা বড় করে রাখা) ইত্যাদি কারণে এই অসামঞ্জস্য দেখা দেয়।
★কি কি সংক্রমণ হতে পারে??
নখকুনি সমস্যা হলে এতে নিচের মাংস বা ত্বকে সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। ছত্রাক সংক্রমণ হতে পারে। ব্যাকটেরিয়া দিয়ে সংক্রমণ হলে তা থেকে পুঁজ বের হতে পারে, এমনকি চিকিৎসা না করালে তা ছড়িয়ে পড়তে পারে আশপাশে ও নিচের হাড়ে। নখটির স্থায়ী ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।
★নখকুনি হলে কী করবেন?
★ঘরোয়া চিকিৎসা..
প্রথমে বাড়িতে এর যত্ন নিতে পারেন। আক্রান্ত স্থানে গরম সেঁক দিন বা হালকা কুসুম গরম পানিতে আঙুল ডুবিয়ে রাখুন দিনে দুবার করে, ২০ মিনিট। পরে শুকিয়ে অ্যান্টি–ফাঙাল বা অ্যান্টিবায়োটিক মলম লাগিয়ে দিন। পরিষ্কার জীবাণুমুক্ত গজ ব্যান্ডেজ দিয়ে ঢেকে রাখুন। তবে যদি সংক্রমণ দেখা দেয়, ফোড়ার মতো হয়ে যায়, লাল হয়ে ফুলে পুঁজ বেরোতে থাকে কিংবা আপনি যদি ডায়াবেটিসের রোগী হয়ে থাকেন, তবে অবহেলা করবেন না। দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কখনো অ্যাবসেস বা ফোড়া কেটে পুঁজ বের করে দিতে হয়। কখনো চিকিৎসক হয়তো নখের নিচে একটা মেডিকেটেড ব্যান্ডেজ প্রবেশ করিয়ে দেবেন। আবার অবস্থা বেগতিক হলে পুরো নখটাই উঠিয়ে ফেলতে হতে পারে।
★!! সতর্ক থাকুন!!
ডায়াবেটিসের রোগীর পায়ের যেকোনো সংক্রমণ জটিল আকার ধারণ করতে পারে। বিশেষ করে যদি রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে না থাকে। তাই রক্তের সুগার পরীক্ষা করুন, বেশি থাকলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।
★হােমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ও ঔষধঃ
Acid Nit-নখকুনির একটি প্রধান ঔষধ Acid Nit. এর প্রধান
লক্ষণ হল- যেকোন অঙ্গের চিপা চাপা ও শেষ প্রান্ত আক্রান্ত
ইত্যাদি লক্ষণে Acid Nit- 30; তিন বেলা এক ফোটা করে দু'দিন
খাওয়ান।
Silicea - নখকুনির একমাত্র ঔষধ হিসেবে Silicea কে
বিবেচনা করা হয়। কুনি নখে প্রচন্ড ব্যথা, পুঁজ থাকলে- Silicea
-30; তিন বেলা এক ফোটা করে দু'দিন খাওয়ান। দীর্ঘস্থায়ী
অবস্থার Silicea অধিক কার্যকর।
Graphites :- নখকুনির জন্য অন্য একটি কার্যকরী ওষুধ হলGraphites । টিস্যু ফোলা এবং ক্ষত, তীব্র ব্যথা এবং হাত দিয়ে
ধরলে অসহ্য ব্যথা। পায়ের নখ খুব সহজেই ভেঙ্গে হয়ে যায়,
এমন অবস্থায়- Graphites- 30; তিন বেলা এক ফোটা করে
দু'দিন খাওয়ান।
Hepar Sulph:-নখকুনির একটি প্রধান ঔষধ হল Hepar
Sulph. অসহ্য যন্ত্রণা। হাত দিয়ে টাচ করলেই ব্যথা। সামান্য চাপ
সহ্য করতে পারে না। ক্ষত হয়ে যাওয়ার উপক্রম ইত্যাদি লক্ষণেHepar Sulph- 30; তিন বেলা এক ফোটা করে দু'দিন খাওয়ান।
Fluoric Acid - নখের ভিতরে পেরেক মারা ব্যথা।পা ও নখ
বিকৃত হয়ে যাওয়া, পায়ের নখ দ্রুত টুকরা টুকরা হয়ে যাওয়া
ইত্যাদিই লক্ষণে- Fluoric Acid -30 তিন বেলা এক ফোটা করে
দু'দিন খাওয়ান।
Bufo Rana::- নির্ধারিত নখে যখন পার্শ্ববর্তী টিস্যু ফোলা থাকে
এবং পুঁজ উৎপন্ন হয়। উর্ধ্বগামী গভীর নিস্তেজ ব্যথা-বগল
পর্যন্ত প্রসারিত হয়। নখ যদি নীলাভ বা কালচে রঙের হয়ে যায়।
তবে এমন অবস্থায় -Bufo Rana -30; তিন বেলা এক ফোটা
করে দু'দিন খাওয়ান।
পরামর্শঃ- calendula Q ও Echinacea Q একত্রে মিশিয়ে
নখের গােড়ায় দিনে ৩-৪ বার দিতে হবে।
★রােগীর ধাতুগত লক্ষণ,মানসিক লক্ষণ, রােগীর লক্ষণসমষ্টির
সাদৃশ্যে সর্বাপেক্ষা অধীক সদৃশ ঔষধ নির্বাচন করতে সক্ষম।
হলেই দ্রুত রােগ নিরাময় সম্ভব ।এ কাজটি অত্যন্ত কঠিন তাই
নিজের ঔষধ নিজে নির্বাচন না করে একজন দক্ষ
হােমিওপ্যাথিক ডাক্তারের সাহায্য নিন।ধন্যবাদ রােগী
ভাইবােনদের সুস্থ্য থাকুন সুখী থাকুন।
হােমিওপ্যাথিক মেডিসিন কনসালটেন্ট
ডাঃ এম. শামসুল হক মেহেদী
বি. এইচ, এম, এস (ঢা:বি:)
ক্যান্সার চিকিৎসায় প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত (ICPC)
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
এক্স- হাউজ ফিজিশিয়ান
সরকারি হােমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা
গভঃ রেজিঃ নং- এইচ- ৯৯৬, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালি, ঢাকা
চর্ম, যৌন, বন্ধাত্ব, মহিলা ও শিশু রােগে অভিজ্ঞ।