চোখওঠা বা কনজাংটিভাইটিস

 

এই রোগী বর্তমান সময়ের প্রচুর দেখা যাচ্ছে, যাহা একটি ভাইরাস জনিত রোগ,
কোনো কোনো সময় বা মৌসুমে একসঙ্গে অনেক মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হন। কারণ, এটি সংক্রামক রোগ।
#লক্ষন_সমূহ: এই রোগীদের-
* বেশির ভাগ সময় দুই চোখ লাল হতে দেখা যায়। তবে এক চোখেও হতে পারে।
*চোখে পুঁজের মতো জমা হয়, ঘুম থেকে উঠলে অনেক সময় চোখের পাতা লেগে থাকতে দেখা যায় এবং চোখ থেকে পানি ঝরে।
*চোখ জ্বালাপোড়া করে।
*চোখে খচখচ ভাব, অস্বস্তি হয়।
*হালকা ব্যথা ও ফটোফোবিয়া বা রোদে তাকাতে অসুবিধা হতে পারে।
* চোখে গরম অনুভব হওয়া।
* চোখে ব্যথা অনুভব করা।
* চোখের পাতা ফুলে যাওয়া।
*চোখে জ্বালা ও চুলকানি ইত্যাদি।
● সাবানপানি দিয়ে কিছুক্ষণ পরপরই হাত পরিষ্কার করতে হবে।
● কোনো কারণে চোখ ভেজা থাকলে চোখ টিস্যু পেপার দিয়ে মুছে নিতে হবে। ব্যবহারের পর টিস্যু পেপারটি অবশ্যই ময়লার ঝুড়িতে ফেলে দিতে হবে। নইলে ব্যবহার করা টিস্যু পেপার থেকে সংক্রমণ ছড়াতে পারে।
● চোখ উঠলে চশমার ব্যবহার করুন। এতে চোখে স্পর্শ করা কমবে এবং ধুলাবালু, ধোঁয়া থেকে চোখ রক্ষা পাবে। আলোয় অস্বস্তিও কমবে।
● নিজের ব্যবহার করা প্রসাধনসামগ্রী ও ব্যক্তিগত কাপড়চোপড় অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দেওয়া যাবে না। একইভাবে অন্যের ব্যবহৃত প্রসাধনসামগ্রী ও ব্যক্তিগত জিনিসপত্র রোগীর ব্যবহার করা চলবে না।
● চোখ ঘষে চুলকানো যাবে না। অন্য কারও আই ড্রপ ব্যবহার করা উচিত হবে না। এতে আবার কনজাংটিভাইটিস হতে পারে।
#হোমিওপ্যাথিক_চিকিৎসা: লক্ষণ ভিত্তিক সম্পন্ন ও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হীন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় চোখ ওঠার রোগী খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়।
বর্তমান সময়ে যেসব ওষুধ বেশি ব্যবহার হয়, Aconite, Belladonna, Rhus tox, Euphrasia....
যেকোনো রোগে আতঙ্কিত না হয়ে আপনিও আপনার পরিবার সম্পূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিন।
হোমিওপ্যাথি ঔষধ যদি কম পরিমানে গ্রহণ করা হয় তাহলে তার কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হয় না, কিন্তু কখনও নিজে থেকে কোন ঔষধ গ্রহণ করা উচিৎ নয়। আপনি যদি চোখের সমস্যায় নিয়ে ভোগেন, তাহলে দ্রুত রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন যে আপনার রোগ লক্ষণ অনুযায়ী আপনার সঠিক চিকিৎসা করবে। হোমিওপ্যাথিতে রোগ নয় রোগীকে চিকিৎসা করা হয়। আপনাকে অভিজ্ঞ একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নিতে হবে, হোমিওপ্যাথিতে চোখের সমস্যা প্রায় শতভাগই কার্যকর । হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় আধুনিক ও অভিজ্ঞ রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের মাধ্যমে কোন ধরনের অস্ত্রোপচার ছাড়াই সুস্থতা লাভ করা সম্ভব।
★বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় স্বীকৃত বিজ্ঞানসম্মত প্রাকৃতিক ও নিরাপদ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা গভ. রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথি ডাক্তারের নিকট হতে গ্রহণ করুন এবং সুস্থ থাকুন।
=====================================
হােমিওপ্যাথিক মেডিসিন কনসালটেন্ট
ডাঃ এম. শামসুল হক মেহেদী
বি. এইচ, এম, এস (ঢা:বি:)
ক্যান্সার চিকিৎসায় প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত (ICPC)
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
এক্স- হাউজ ফিজিশিয়ান
সরকারি হােমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা
গভঃ রেজিঃ নং- এইচ- ৯৯৬, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালি, ঢাকা
চর্ম, যৌন, বন্ধাত্ব, মহিলা ও শিশু রােগে অভিজ্ঞ।
💁‍♀️মহিলা রােগীদের জন্য সুখবর!!!
আমার হোমিওপ্যাথি পেইজের মাধ্যমে টেলিমেডিসিন সেবা দিচ্ছেন..
মহিলা ও শিশু রােগে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত চিকিৎসক..
ডাঃ বুশরা মাহমুদ
বি.এইচ.এম.এস (ঢাঃবিঃ)
বি.এইচ.এস (আপার)
সরকারী হােমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল,
ঢাকা।
গভঃ রেজিঃ নং- এইচ- ১০২৬, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালি, ঢাকা
বিঃদ্রঃ স্বল্পমূল্যে, স্বল্প খরচে উন্নত মানের স্বাস্থ্যসেবাই
আমাদের একমাত্র লক্ষ্য..
যোগাযোগ :০১৯৭৫৯০৯১৬৬

 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন