হস্তমৈথুন
এর ক্ষতিকর দিক সমূহ। হস্ত মৈথুনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাচার উপায়।
হস্তমৈথুন এর ক্ষতিকর দিক অনেক। বর্তমান সমাজে মারাত্মক ব্যাধি হয়ে
দাড়িয়েছে।হস্তমৈথুন ইংরেজিতে যাকে Masturbation (মাস্টারবেশন) বলা হয়।যখন
কোন ছেলে মেয়ে প্রাপ্ত বয়সে উপনিত হয় তখন তারা নিজেদের অজান্তেই এই ভয়ংকর
কাজে জড়িয়ে পরে।
হস্তমৈথুন এর ক্ষতিকর দিক সমূহ এবং এর থেকে বাঁচার সহজ উপায়। Masturbation
বর্তমান
সময়ে ইন্টারনেট সহজতর হওয়ায় অনলাইনে নানা অনৈতিকমূলক বিভিন্ন ভিডিও ক্লিপ,
ছবি ইত্যাদি এর মাধ্যমে অনেকেই এই কাজে উদ্ভুদ্ধ হয়।কেউ বা তার বন্ধু
বান্ধব এর মাধ্যমে কেউ বা নিজের অজান্তেই এই কাজে জড়িয়ে নিজের জীবনকে
ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
বর্তমান
সময়ে শুধু ছেলে নয় মেয়েরা ও এইরকম ভয়াবহ কাজে জরিত। প্রাপ্ত বয়সে উপনিত
হওয়ার পর প্রায় ৬০% ছেলে ও ৪০% মেয়ে নিজের অজান্তেই এই কাজে জড়িয়ে পরে।
তাই
আজকের আর্টিক্যালে হস্তমৈথুনের ফলে ক্ষতি সম্পর্কে বিস্তারিত
জানবো।হস্তমৈথুন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে সম্পূর্ণ
আর্টিক্যালটি মনযোগ সহকারে পড়ার অনুরোধ করছি।
হস্তমৈথুনের
কারণে নানান ধরনের সমস্যা দেখা দেয়।এমনকি অকাল বির্যপাত হওয়ার কারণে
ছেলেরা বিয়ে করতে ভয় পায়। তাদের যৌন জীবন কে বিপর্যস্ত করে তুলে।
হস্তমৈথুনের কারণে ২ ধরনের সমস্যা দেখা দেয় তা হলঃ
১. মানসিক সমস্যা
২. শারীরিক সমস্যা
মানসিক সমস্যাঃ
হস্তমৈথুনের
কারণে ছেলেরা মানসিকভাবে ভেঙে পরে। অকাল বির্যপাত হওয়ার কারণে বিয়ে করতে
ভয় পায়। সবসময় দুশ্চিন্তা তাদের কে গ্রাস করতে থাকে।অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের
ফলে ব্রেইনে এতটাই চাপ পরে যে তাদের আচরণে অশৃঙ্খল দেখা যায়। ফলে তাদের
জীবন হয়ে উঠে দূর্বিসহ ও ভয়াবহ।
আরো পড়ুনঃ পাইলস কি? পাইলস এর লক্ষণ ও ঘরোয়া চিকিৎসা
শারীরিক সমস্যাঃ
হস্তমৈথুনের
ফলে সবথেকে বেশি ক্ষতি হয় শারীরিক ভাবে।হস্তমৈথুনের ক্ষতিকর প্রভাবগুলো
আমাদের বাস্তব জীবনে সব থেকে বেশি প্রতিফলন হয়।অতিরিক্ত মাত্রায় হস্তমৈথুন
করার ফলে শরীর অল্প দিনের মধ্যে খারাপ বা অসুস্থ হয়।স্বাস্থ্য চেহারা সব
কিছুই নষ্ট হয়ে যায়। তাই হস্তমৈথুনের ক্ষতিকর দিক গুলো জানা খুবই
প্রয়োজন।
নিচে হস্তমৈথুনের ফলে শারিরীক যে সমস্যা দেখা দেয় তা দেওয়া হলঃ
১.
অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে সব থেকে বড় যে সমস্যা হয় তা হল অকাল বীর্যপাত।
অকাল বির্যপাত এর ফলে স্বামী তার স্ত্রীকে পুরোপুরি সন্তুষ্ট করতে অক্ষম
হয়ে পরে। ফলে বিবাহিত জীবনে নেমে আসে অশান্তি।
২.
অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে বির্যের শুক্রানু কমে যায় এবং বির্য পাতলা হয়ে
যায়। বিজ্ঞানের ভাষায়, কোনো পুরুষের বির্যে যদি ২০ কোটির কম শুক্রাণু থাকে
তাহলে সেই পুরুষ সন্তান জন্ম দিতে অক্ষম হয়ে পরে।
৩. শরীরের বিভিন্ন সিস্টেম যেমন, Nervous system, heart, digestive system, urinary system
এবং আরো বিভিন্ন রকম system অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয় । পুরুষের যৌনাঙ্গ
একেবারেই দূর্বল হয়ে পরে এবং সমস্ত শরীর একেবারেই দুর্বল হয়ে যায় শরীরে
বিভিন্ন রোগ দেখা দেয়।
৪. চোখের সমস্যা দেখা দেয়।দূরের জিনিস ঝাপসা দেখে।
৫. অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে কানে ও সমস্যা হয়। কানে কম শুনতে পায়।
৬. অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে নাকের ঘ্রাণ শক্তি হ্রাস পায়।
৭. হস্তমৈথুন ফলে স্মরণ শক্তি আস্তে আস্তে কমে যায়। কোন কিছুই মনে থাকে না ।
৮. মাথা ব্যথা, চোখে ব্যাথা আরো বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়।
৯. সামান্য উত্তেজনায় লিঙ্গ থেকে তরল জাতীয় পদার্থ বের হয়। ফলে শরীর দূর্বল হয়ে যায়।
১০. অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে যৌন ক্রিয়ার সাথে জড়িত স্নায়ুতন্ত্রগুলো একেবারেই দুর্বল হয়।
১১. প্রস্রাব এর সমস্যা হয় এবং শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে সমস্যা দেখা দেয়।
১২. স্বাস্থ্য নষ্ট হয়ে যায় এবং দেখতে অনেক রুগ্ন দেখায়।
★হস্তমৈথুনের ক্ষতিকর প্রভাব:
হস্তমৈথুনের
ক্ষতিকর দিক অনেক। প্রত্যেক পুরুষ এবং মহিলাদের বয়স বাড়ার সাথে সাথে যৌন
উত্তেজনা বৃদ্ধি পেতে থাকে ড় তখনি নানান ভাবে এই হস্তমৈথুন নামক ভয়ংকর
ব্যাধিতে জড়িয়ে পরে। যাদের একবার এটা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায় বলা যায় তার
জীবন যৌবন সব ধ্বংস করে দেয়। কেননা এটা ত্যাগ করা খুবই কষ্ট সাধ্য ব্যাপার।
তাই যারা হস্তমৈথুন করেন তারা এই অভ্যাস ত্যাগ করতে পারলে হোমিওপ্যাথি
চিকিৎসার মাধ্যমে যে ক্ষতি করে ফেলেছেন তার সমাধান করা সম্ভব।
হস্তমৈথুন নিয়ে আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এই পোস্টে লিংক..https://www.facebook.com/100069533605572/posts/372321305095653/?app=fbl
=====================================
হােমিওপ্যাথিক মেডিসিন কনসালটেন্ট
ডাঃ এম. শামসুল হক মেহেদী
বি. এইচ, এম, এস (ঢা:বি:)
ক্যান্সার চিকিৎসায় প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত (ICPC)
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
এক্স- হাউজ ফিজিশিয়ান
সরকারি হােমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা
গভঃ রেজিঃ নং- এইচ- ৯৯৬, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালি, ঢাকা
চর্ম, যৌন, বন্ধাত্ব, মহিলা ও শিশু রােগে অভিজ্ঞ।
আমার হোমিওপ্যাথি পেইজের মাধ্যমে টেলিমেডিসিন সেবা দিচ্ছেন..
মহিলা ও শিশু রােগে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত চিকিৎসক..
ডাঃ বুশরা মাহমুদ
বি.এইচ.এম.এস (ঢাঃবিঃ)
বি.এইচ.এস (আপার)
সরকারী হােমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল,
ঢাকা।
গভঃ রেজিঃ নং- এইচ- ১০২৬, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালি, ঢাকা
বিঃদ্রঃ স্বল্পমূল্যে, স্বল্প খরচে উন্নত মানের স্বাস্থ্যসেবাই
আমাদের একমাত্র লক্ষ্
ডাঃ মেহেদী হোমিওপ্যাথ

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন